সুদর্শন পট্টনায়ক তাঁর বালুশিল্পের মাধ্যমে সামাজিক ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বার্তাগুলো যেভাবে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।
২০২৭ সালের আসন্ন জাতীয় জনগণনা (National Census) সফল করতে তাঁর মতো একজন শিল্পীকে প্রচারদূত হিসেবে নিয়োগ করার পেছনে বেশ কিছু ইতিবাচক দিক রয়েছে:
জনসংযোগ: বালুশিল্প একটি দৃশ্যমান এবং আকর্ষণীয় মাধ্যম। এটি গ্রামীণ ও শহর—উভয় অঞ্চলের মানুষের কাছে সহজেই পৌঁছাতে সক্ষম।
সচেতনতা বৃদ্ধি: জনগণনা বা সেন্সাস একটি বিশাল প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ছাড়া এটি নিখুঁত করা সম্ভব নয়। পট্টনায়কের শিল্পকর্মের মাধ্যমে সঠিক তথ্য দেওয়ার গুরুত্ব সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা সহজ হবে।
সাংস্কৃতিক সংযোগ: আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে তাঁর সুনাম থাকায় দেশবাসীর মধ্যে এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে একটি উৎসাহ ও গর্বের জায়গা তৈরি হবে।
