এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও যুগান্তকারী সংবাদ। কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন মন্ত্রক (MoSPI) কর্তৃক ২০২৬ সালে ভারতের প্রথম 'পারিবারিক আয় সমীক্ষা' (Household Income Survey) চালু করার সিদ্ধান্তটি দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতাকে আরও ভালোভাবে বোঝার জন্য অপরিহার্য।
এই উদ্যোগটির গুরুত্ব সম্পর্কে কিছু মূল বিষয় নিচে উল্লেখ করা হলো:
১. সঠিক তথ্যের অভাব দূরীকরণ: এতদিন ভারতে সরাসরি পারিবারিক আয়ের কোনো সরকারি দেশব্যাপী সমীক্ষা ছিল না। সাধারণত পারিবারিক ব্যয় সমীক্ষা (Household Consumption Expenditure Survey) থেকে আয়ের একটি পরোক্ষ অনুমান করা হতো। এই নতুন সমীক্ষাটি সেই অনুমান-নির্ভরতা কমাবে এবং প্রকৃত আয়ের একটি স্পষ্ট চিত্র দেবে।
২. নীতি নির্ধারণে সহায়তা: দেশজুড়ে পরিবারগুলোর প্রকৃত আয় কত, আয়ের বৈষম্য কেমন এবং বিভিন্ন অঞ্চলের অর্থনৈতিক অবস্থা কেমন—এই তথ্যগুলো সরকারের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক নীতি এবং সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলো (Social Welfare Schemes) সঠিক মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে।
৩. দারিদ্র্য ও বৈষম্য পরিমাপ: দারিদ্র্যসীমা নির্ধারণ এবং ধনী-দরিদ্রের মধ্যে আয়ের ব্যবধান কতটা, তা সঠিকভাবে পরিমাপ করতে এই সমীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
সংক্ষেপে, ২০২৬ সালের এই সমীক্ষাটি ভারতের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ও উন্নয়নের জন্য একটি মাইলফলক হতে চলেছে।
