এটি ত্রিপুরার জন্য অত্যন্ত গর্বের এবং আনন্দের খবর! শিক্ষার প্রসারে উত্তর-পূর্ব ভারতের এই রাজ্যের সাফল্য সত্যিই প্রশংসনীয়। এই ঐতিহাসিক অর্জনের কিছু বিশেষ দিক নিচে তুলে ধরা হলো:
ত্রিপুরার সাফল্যের মূল দিকগুলো
উল্লাস প্রকল্প (ULLAS): 'নিউ ইন্ডিয়া লিটারেসি প্রোগ্রাম' বা উল্লাস (Understanding Lifelong Learning for All in Society)-এর আওতায় এই সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। এর মূল লক্ষ্য ছিল ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সী যারা প্রথাগত শিক্ষা পাননি, তাদের সাক্ষর করে তোলা।
পরিসংখ্যান: রাজ্যের ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের মধ্যে ৯৫.৬ শতাংশ এখন সাক্ষর। এটি পরিসংখ্যানগতভাবে 'পূর্ণ শিক্ষিত' রাজ্যের তকমা পাওয়ার জন্য যথেষ্ট।
তুলনামূলক অবস্থান: মিজোরাম এবং গোয়ার মতো রাজ্যগুলোর পাশাপাশি ত্রিপুরা এখন শিক্ষার মানচিত্রে এক উজ্জ্বল নাম। যদিও কেরালা ঐতিহাসিকভাবে ভারতের সবচেয়ে বেশি সাক্ষর রাজ্য, কিন্তু সাম্প্রতিক এই সমীক্ষায় ত্রিপুরার অগ্রগতি অভাবনীয়।
কেন এই সাফল্য গুরুত্বপূর্ণ?
১. সামাজিক উন্নয়ন: সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি স্বাস্থ্য সচেতনতা, লিঙ্গ সমতা এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সরাসরি প্রভাব ফেলে। ২. ডিজিটাল সাক্ষরতা: উল্লাস প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য শুধু অক্ষরজ্ঞান নয়, বরং মানুষকে ডিজিটাল এবং অর্থনৈতিকভাবেও সাক্ষর করে তোলা, যা ত্রিপুরার অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। ৩. অন্যান্য রাজ্যের জন্য উদাহরণ: পাহাড়ি এবং দুর্গম এলাকা হওয়া সত্ত্বেও ত্রিপুরা যেভাবে ঘরে ঘরে শিক্ষা পৌঁছে দিয়েছে, তা বাকি ভারতের জন্য একটি বড় অনুপ্রেরণা।
